September 23, 2019, 6:27 am

মিথ্যা অপবাদ,ষড়যন্ত্র ও কু-প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভুগি বটিয়াঘাটার ৪নং ইউনিয়নের ৪,৫,ও ৬নং ওয়ার্ডে (সংরক্ষিত মহিলা) সদস্য স্বপ্না রানী রায়।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মহিলা ইউপি সদস্যকে কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ

।।রূপসা ডেস্ক ।।

মিথ্যা অপবাদ,ষড়যন্ত্র ও কু-প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভুগি বটিয়াঘাটার ৪নং ইউনিয়নের ৪,৫,ও ৬নং ওয়ার্ডে (সংরক্ষিত মহিলা) সদস্য স্বপ্না রানী রায়।

খুলনার বটিয়াঘাটার ৪নং সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাদী সরদারের বিরুদ্ধে এক মহিলা ইউপি সদস্যকে কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী স্বপ্না রানী রায় এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি সুরখালী ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য। নির্বাচিত হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদের ১ম দিন থেকেই চেয়ারম্যান আব্দুল হাদী সরদারের কু-নজর ও রোষানলে পড়ে যাই। চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময়ে আমাকে ইশারা-ইঙ্গিতে কু-প্রস্তাব দিয়ে থাকেন। পরতবর্তীতে তিনি আমাকে বলেন, কিছু পেতে গেলে কিছু দিতে হয়। প্রকল্প পেতে হলে তার সাথে খুলনার একটি ক্লিনিকের কক্ষে সময় কাটাতে হবে’।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হিন্দু সম্প্রদায় বিধায় সব কিছু মুখ বুঝে সহ্য করছিলাম। এরপরে সে বলে আমার প্রস্তাবে রাজি না হলে তোমাকে দেশ ছাড়া করবো এবং তোমার বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেব।

এরপর চেয়ারম্যান তার নিজের ইচ্ছা পূরণ করতে না পেরে আমাকে চরিত্রহীন ও বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে পত্রিকায় ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছেন’।

স্বপ্না রানী  বলেন, এমতাবস্থায় আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। হয়ত মান-সম্মানের ভয়ে শেষমুহুর্তে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হতে পারে। তারপূর্বে আমি আপনাদের সব কিছু জানিয়ে গেলাম।

রূপসা’র আরো সংবাদ